পবন
পাহাড় ছেড়ে জমিন ফেরে’ ঘুরছি বনান্তর, সাগর পানে গানে গানে ছুটছি অনন্তর, নদীর সাথে দিনে রাতে আঁকছি ভাবের ছবি, বৃক্ষ […]
পাহাড় ছেড়ে জমিন ফেরে’ ঘুরছি বনান্তর, সাগর পানে গানে গানে ছুটছি অনন্তর, নদীর সাথে দিনে রাতে আঁকছি ভাবের ছবি, বৃক্ষ […]
হে মহাকালের মহাস্রষ্টা! হে মহাজ্ঞানী! সর্বদ্রষ্টা! হে অনাদি অনন্ত অসীম! আমি ক্ষুদ্র দরিদ্র সসীম। আমি পাপী, আমি অগণন পাপে ভাসমান
প্রতিদিন ভোর ঊষার প্রহর কিচির মিচির শব্দেজাগছে পাখি, দিনভর তা কি করে রিজ্কের চিন্তা?রিজিক দাতার ভরসাতে যার দিনের খোড়াক লব্ধেবের
এক মহাবিস্ফোরণ! স্থান-কাল সৃষ্টি হলো শক্তি ক-ণা বৃষ্টি হলো স্ফিতি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত হইলো প্রসারণ। ম-হা-বিশ্ব সূচিত হলো – হইলো সঞ্চালন,
নীলাকাশ ঢাকে ঘন কালো মেঘে আধারে জড়ায় ধরা বজ্রনিনাদে কেঁপে ওঠে ভূ বর্ষে অঝোরে জল শির শির বাতায়ন গরমের শেষে
ঘুরে ফিরে এলো রমজান মাস রাখছে সকলে রোজাঘুরে ঘুরে চা’য় ফরজ নামাজ করছে সকলে কাজা।আমি কি এমনই এতিম অনাথ এতই
এতদিন ভাই লিখে গেছি তাই যা আসে মনে ছন্দ ছাড়াই ছাই-পাশ যাই লিখিয়াছি ক্ষণে। লেখক যারা জানেন তারা ছন্দ বুনন
রমাদান রুহামাহ রাহে নাজাত বার্তা বহে এক-মাস চলে যায় দ্রুততায়, যেন এক পশলা হিম বৃষ্টি খরতাপে রুড়তায় দীর্ণ শুষ্ক মাঠে,
অবশেষে রোজা শেষে এলো হেসে ঈদ, ছোট বড় হয়ে জড়ো গাইছে নাশিদ। তাকবির তাকবির ওই দেখো চাঁদ, কি যে খুশী