সময়ের তুমি বৃত্ত হও
তুমি হও গ্রীষ্ম; তীব্র গরম ভর দুপুরনদী যেন পাশে বটতলে বসে গাইছে রাখাল বাধছে সুর। তুমি হও বর্ষা; হিমেল বাতাস […]
সময়ের তুমি বৃত্ত হও Read More »
তুমি হও গ্রীষ্ম; তীব্র গরম ভর দুপুরনদী যেন পাশে বটতলে বসে গাইছে রাখাল বাধছে সুর। তুমি হও বর্ষা; হিমেল বাতাস […]
সময়ের তুমি বৃত্ত হও Read More »
একাকী দাড়িয়ে কি দেখছ আকাশে? চাঁদের কোমল আলো? অজস্র তাঁরা? অবিমিশ্র অনুভূতি প্রতিটি নি:শ্বাসে যাচ্ছ কি হারিয়ে কোথাও? স্মৃতির গহীন
সবুজে শ্যামলে সোনালী ফসলে নব ঘন মেঘে বৃষ্টির জলেনীলাভ গগনে গোলাপে কমলে সুমিষ্ট স্বাদ নানা রঙ ফলে তোমাকে পেয়েছি খুঁজে,
বছর পেরিয়ে গেল। আনন্দ আর ফুর্তি করেই কাটিয়ে দিয়েছ বেলা, জীবন নামের আমানত তুমি ভেবেছ শুধুই খেলা? স্রষ্টার প্রিয় সৃষ্টি
এ শহর,চক্ষু থেকেও অন্ধ ছিলদ্বার খোলা তাও বন্ধ ছিলজীবন ছেড়ে মৃত্যুমুখী ধন্দে ছিল। সে সময় আকাশ ফুঁড়ে আলোক এসে পড়ল
বার বার ফিরে আসে, রক্ত শিহরী শংকিতকারী ধ্বংসকারীর বেশে, প্রলয়ঙ্কর কম্পন হানে প্রশ্বাসে নি:শ্বাসে প্রাণনাশ করে বিনাশ করে সে ফেটে
বসে আছি একা ভাবছি কেন যে পৃথিবীটা এত মায়াময় এত গূঢ় রহস্যে ঘেরা? চাঁদের পিঠের কালো দাগ যেন, সবুজ পাতায়
আকাশে উড়ন্ত পাখির মত নই, নই, পড়ন্ত বিকেলে সোনালী আলো, পূর্ণিমা রাতের রুপালী পৃথিবী নই। তবে, ঘুমিয়ে থাকা শিশুটির মত
বইছে জ্ঞানের ঝড়! উড়ে গেল আমাদের মস্তিষ্ক, শুষ্ক প্রাণ ভেসে গেল আলোর বন্যায়, অনন্য আকাঙ্ক্ষার নোঙ্গর ফেলে অজানার সাগরে, অতৃপ্ত
স্নিগ্ধ সকাল, শুভ্র তমাল, পক্ষী সকল গাচ্ছে, পুষ্প নবীন, শব্দ বিহীন, মুগ্ধ আখি আঁকছে কল্পনাতে স্বপ্ন বিলাস, বসন্তের এই লগ্ন,