নিমিত্ত কারণের যুক্তি: অ্যাকুইনাসের দ্বিতীয় পথ
বিশ্বাস ও দর্শন · ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিমিত্ত কারণের যুক্তি: অ্যাকুইনাসের দ্বিতীয় পথ

নিমিত্ত কারণের যুক্তি: এক্সটেনশন কর্ড থেকে আকুইনাসের দ্বিতীয় পথ পর্যন্ত

বাসায় কখনো একটার পর একটা এক্সটেনশন কর্ড (মাল্টিপ্লাগ) জোড়া লাগিয়ে দূরের একটা বাতি জ্বালানোর চেষ্টা করেছেন? প্রথম কর্ডটা দেয়ালের সকেটে, তার সাথে দ্বিতীয়টা, তার সাথে তৃতীয়টা – এভাবে পাঁচ-সাতটা কর্ড জোড়া দিয়ে শেষ মাথায় বাতিটা জ্বলে। এখন প্রশ্ন করুন নিজেকে – বাতিটা আসলে বিদ্যুৎ পাচ্ছে কার কাছ থেকে? কর্ডগুলো নিজেরা কি বিদ্যুৎ তৈরি করে, নাকি শুধু একটা থেকে আরেকটায় "ধার করা" বিদ্যুৎ পাস করে দিচ্ছে? আর যদি দেয়ালের সকেট থেকে মূল সংযোগটাই কেটে দেন, তাহলে কি মাঝখানে যতগুলো কর্ডই থাকুক না কেন, বাতিটা সাথে সাথে নিভে যাবে না? এই সাধারণ পর্যবেক্ষণটাই আসলে থমাস আকুইনাসের "পাঁচটি পথ"-এর দ্বিতীয় পথের মূল কথা – যাকে বলা হয় "নিমিত্ত কারণের যুক্তি" (Argument from Efficient Causality)। গত পর্বে আমরা "পরিবর্তনের যুক্তি" নিয়ে কথা বলেছিলাম, আজ দেখব এর কাছাকাছি অথচ আলাদা একটা যুক্তি নিয়ে – যেটা পরিবর্তন নিয়ে না, বরং জিনিসের অস্তিত্বই কোথা থেকে আসছে, সেই প্রশ্ন নিয়ে।

যুক্তিটা কোথা থেকে এলো

আকুইনাস তার "সুম্মা থিওলজিকা" গ্রন্থের প্রথম ভাগে (প্রশ্ন ২, অনুচ্ছেদ ৩) স্রষ্টার অস্তিত্বের পক্ষে পাঁচটি যুক্তি হাজির করেন। প্রথমটা ছিল পরিবর্তন নিয়ে, আর দ্বিতীয়টা শুরু হয় "নিমিত্ত কারণ" (efficient cause) নামের একটা ধারণা দিয়ে। এই শব্দটা অ্যারিস্টটলের দর্শন থেকে আসা – অ্যারিস্টটল বলতেন, যেকোনো জিনিসের চারটা ধরনের "কারণ" থাকতে পারে। ধরুন একটা কাঠের চেয়ার – এর "বস্তুগত কারণ" হলো কাঠ (যা দিয়ে বানানো), "আকৃতিগত কারণ" হলো চেয়ারের নকশা (যে রূপ এটা ধারণ করেছে), "উদ্দেশ্যগত কারণ" হলো বসার জন্য ব্যবহার (কেন এটা বানানো হলো), আর "নিমিত্ত কারণ" হলো কাঠমিস্ত্রি – যে আসলে কাজটা করেছে, যার হাতের শ্রমে কাঠের টুকরোগুলো চেয়ারে রূপান্তরিত হলো। আকুইনাসের দ্বিতীয় পথ এই শেষ ধরনের কারণ নিয়ে কথা বলে – কোনো কিছুকে অস্তিত্বে আনার বা তার মধ্যে পরিবর্তন ঘটানোর পেছনের "উৎপাদক" নিয়ে।

মূল ধারণা: কেউ নিজের কারণ নিজে হতে পারে না

আকুইনাসের যুক্তির শুরুর পর্যবেক্ষণটা সহজ – আমাদের চারপাশে জিনিসের একটা শৃঙ্খল দেখা যায়, যেখানে একটা জিনিস আরেকটার কারণে অস্তিত্বে থাকছে বা কাজ করছে। একটা বাচ্চার জন্মের পেছনে আছে তার মা-বাবা, একটা রুটির পেছনে আছে ময়দা মাখা হাত আর চুলার আগুন, একটা টেবিলের পেছনে আছে কাঠমিস্ত্রি। কোনো কিছুই নিজেই নিজের কারণ হতে পারে না – কারণ তাহলে সেটাকে নিজের অস্তিত্বের আগে থেকেই থাকতে হতো নিজেকে তৈরি করার জন্য, যা একটা সরাসরি স্ববিরোধিতা (contradiction)। একটা জিনিস নিজেকে নিজে জন্ম দিতে পারে না, নিজেকে নিজে বানাতে পারে না – এই সহজ যুক্তিসংগত নীতিটা মেনে নিলে, প্রতিটা কার্যকারণ সম্পর্কে দেখা যায় একটা জিনিস তার অস্তিত্ব বা কার্যক্ষমতা পাচ্ছে তার বাইরের অন্য কোনো উৎস থেকে।

যুক্তির কাঠামো

পুরো যুক্তিটা সংক্ষেপে এভাবে সাজানো যায়:

১) আমরা জগতে নিমিত্ত কারণের একটা ক্রম বা শৃঙ্খল দেখি – এটা এই ওটার কারণ, ওটা আবার আরেকটার কারণ।

২) কোনো কিছু নিজের নিজের নিমিত্ত কারণ হতে পারে না, কারণ তাহলে তাকে নিজের অস্তিত্বের আগেই থাকতে হবে – যা অসম্ভব।

৩) সুতরাং প্রতিটা কারণই তার কার্যকারিতা পাচ্ছে তার আগের কোনো কারণ থেকে।

৪) এই শৃঙ্খল অসীম পর্যন্ত পেছাতে পারে না – কারণ তাহলে গোড়াতেই এমন কোনো সত্যিকারের উৎস থাকবে না, যেখান থেকে বাকি সবাই তাদের কার্যকারিতা "ধার" করছে। কারণ সরিয়ে নিলে ফলও চলে যায় – প্রথম কারণ না থাকলে মাঝের বা শেষের কারণও থাকতে পারে না।

৫) সুতরাং একটা "প্রথম নিমিত্ত কারণ" থাকতেই হবে, যে নিজে অন্য কারো ওপর নির্ভরশীল না, বরং নিজের ভেতরেই কার্যকারিতার উৎস ধারণ করে – আকুইনাস একেই বলেন ঈশ্বর।

একটা জরুরি পার্থক্য: এটা পরিবর্তনের যুক্তি থেকে আলাদা কেন

গত পর্বের "পরিবর্তনের যুক্তি" (প্রথম পথ) নিয়ে যারা পড়েছেন, তাদের মনে হতে পারে এটা তো প্রায় একই কথা। পার্থক্যটা সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম পথ কথা বলে "পরিবর্তন" নিয়ে – সম্ভাবনা থেকে বাস্তবতায় রূপান্তর নিয়ে, যেমন ঠান্ডা থেকে গরম হওয়া। দ্বিতীয় পথ আরও বিস্তৃত – এটা কথা বলে যেকোনো জিনিসের অস্তিত্বই বা কার্যকারিতাই কোথা থেকে আসছে, সেই প্রশ্ন নিয়ে, শুধু অবস্থার বদল নিয়ে না। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখানেও আকুইনাস যে "অসীম শৃঙ্খল সম্ভব না" বলছেন, সেটা সময়ের দিক থেকে অতীতের দিকে পেছানো একটা শৃঙ্খল না – এটা এই মুহূর্তে, এখনই চলমান একটা নির্ভরতার সম্পর্ক। আমাদের এক্সটেনশন কর্ডের উদাহরণটাই আবার ভাবুন – মাঝের কর্ডগুলো নিজে থেকে কোনো বিদ্যুৎ তৈরি করে না, তারা শুধু দেয়ালের সকেট থেকে আসা বিদ্যুৎ পরবর্তী কর্ডে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এই কর্ডের সংখ্যা দুইটা হোক বা দুইশোটা, তাতে কিছু আসে যায় না – যদি শেষমেশ একটা মূল উৎস (সকেট) না থাকে যেখান থেকে আসল বিদ্যুৎটা আসছে, তাহলে পুরো শৃঙ্খলেই কোনো বিদ্যুৎ থাকবে না, বাতিও জ্বলবে না। একে বলা হয় "essentially ordered" বা সহজাতভাবে সাজানো শৃঙ্খল – যেখানে প্রতিটা সদস্য তার কার্যকারিতা এই মুহূর্তে ধার করছে আরেকজনের কাছ থেকে, নিজের ভেতরে কোনো স্বাধীন উৎস নেই তার। এর বিপরীতে আছে সময়ের সাথে চলা একটা সাধারণ ধারাবাহিকতা, যেমন এক প্রজন্মের পর আরেক প্রজন্মের জন্ম – যেখানে আগের সদস্য না থাকলেও পরের সদস্য নিজে থেকেই কাজ চালাতে সক্ষম। আকুইনাসের যুক্তি প্রথম ধরনের শৃঙ্খল নিয়ে, আর এখানেই তার মূল দাবি – এই ধরনের "ধার করা কার্যকারিতা"র শৃঙ্খল অসীম হতে পারে না, কোথাও একটা সত্যিকারের, নিজস্ব উৎস থাকতেই হবে।

সবচেয়ে শক্তিশালী সমর্থন কী

এই যুক্তির শক্তি হলো এটা এমন একটা নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে যা আমরা প্রতিদিনের জীবনে, এমনকি বিজ্ঞানের গবেষণাতেও মেনে চলি – কোনো জিনিস নিজে নিজে শূন্য থেকে নিজেকে তৈরি করতে পারে না, তার পেছনে কোনো না কোনো কারণ থাকতেই হবে। এই নীতিকে বলা হয় "পর্যাপ্ত কারণের নীতি" (Principle of Sufficient Reason)-এর একটা সংস্করণ, আর এটা বিজ্ঞানের প্রায় প্রতিটা শাখার ভিত্তি – পদার্থবিজ্ঞানী কোনো ঘটনা দেখলে জিজ্ঞেস করেন "এটা কেন ঘটল", ডাক্তার রোগের কারণ খোঁজেন, প্রকৌশলী একটা সেতু ভেঙে পড়লে তার কারণ অনুসন্ধান করেন। "এমনি এমনি, কোনো কারণ ছাড়াই ঘটেছে" – এই উত্তরে আমরা কখনো সন্তুষ্ট হই না। আকুইনাসের যুক্তি এই সাধারণ প্রবৃত্তিটাকেই যুক্তিসংগতভাবে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়।

এবার আসি সমালোচনার দিকে

প্রথম আপত্তিটা আসে বিশ শতকের দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russell)-এর কাছ থেকে, যিনি ধর্মতাত্ত্বিক ফ্রেডেরিক কপলস্টন (Frederick Copleston)-এর সাথে ১৯৪৮ সালের বিখ্যাত এক বিতর্কে বলেছিলেন – মহাবিশ্ব বা কার্যকারণের পুরো শৃঙ্খলটাকে "ব্যাখ্যা করার" কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তার ভাষায়, "মহাবিশ্ব এমনিই আছে, ব্যস, এটাই সব" (the universe is just there, and that's all)। এই আপত্তিকে বলা হয় "স্ববলম্বিতার আপত্তি" (self-sufficiency objection) – হয়তো পুরো শৃঙ্খলটাকেই একটা "মৌলিক সত্য" (brute fact) হিসেবে মেনে নেওয়া যায়, যার আর কোনো আলাদা ব্যাখ্যা দরকার নেই। আকুইনাসের সমর্থকরা এর জবাবে বলেন, এটা আসলে ব্যাখ্যা এড়িয়ে যাওয়া, ব্যাখ্যা দেওয়া না – প্রতিটা অংশের যদি একটা কারণ থাকতে হয়, তাহলে পুরো শৃঙ্খলটারও একটা কারণ প্রয়োজন, শুধু অংশগুলো যোগ করে দিলেই সেই প্রয়োজনীয়তা হারিয়ে যায় না।

দ্বিতীয় আপত্তিটা হলো "অসীম রিগ্রেসের আপত্তি" – স্কটিশ দার্শনিক ডেভিড হিউম (David Hume) যুক্তি দিয়েছিলেন, যদি শৃঙ্খলের প্রতিটা সদস্যকেই তার ঠিক আগের সদস্য দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়, তাহলে পুরো অসীম শৃঙ্খলটাই তো ব্যাখ্যা হয়ে গেল – আলাদা করে কোনো "প্রথম কারণ" খোঁজার দরকার কী? প্রতিটা ইট যদি তার পাশের ইটের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে পুরো দেয়ালটাকে দাঁড় করানোর জন্য বাড়তি কিছু লাগে না, তেমনি। আকুইনাসের অনুসারীরা – যেমন আধুনিক থোমিস্ট দার্শনিক এডওয়ার্ড ফেজার (Edward Feser) – এই তুলনাটা প্রত্যাখ্যান করেন। তাদের যুক্তি, এখানে প্রশ্নটা ইটের সারি নিয়ে না, বরং "ধার করা শক্তি"র শৃঙ্খল নিয়ে – আমাদের এক্সটেনশন কর্ডের উদাহরণেই যেমন দেখা যায়, যদি প্রতিটা কর্ডই শুধু আগেরটা থেকে বিদ্যুৎ পাস করে দেয়, নিজে কিছু তৈরি না করে, তাহলে কর্ডের সংখ্যা যত বেশিই হোক, শেষ পর্যন্ত একটা আসল উৎস (জেনারেটর বা সকেট) না থাকলে গোটা শৃঙ্খলেই কোনো বিদ্যুৎ থাকবে না। সংখ্যা অসীম হলেও এই সমস্যাটা মেটে না, বরং আরও প্রকট হয়।

তৃতীয় আপত্তিটা আসে আধুনিক কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান থেকে। কিছু পদার্থবিজ্ঞানী বলেন, তেজস্ক্রিয় পরমাণুর ক্ষয় (radioactive decay) বা শূন্যস্থানে "ভার্চুয়াল কণা" (virtual particles) হুট করে তৈরি হওয়ার মতো ঘটনায় কোনো নির্দিষ্ট, শনাক্তযোগ্য কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না – এগুলো সম্ভাব্যতার নিয়মে চলে, নির্দিষ্ট কার্যকারণ সম্পর্কে না। যদি প্রকৃতিতেই সত্যিকারের কারণহীন ঘটনা থাকতে পারে, তাহলে "সবকিছুরই একটা কারণ থাকতে হবে" – এই প্রাথমিক ধারণাটাই প্রশ্নের মুখে পড়ে। এর জবাবে দার্শনিকরা বলেন, বিষয়টা এখনও বিতর্কিত – কোয়ান্টাম ঘটনার "কারণহীনতা" আসলে আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা (আমরা কারণটা মাপতে পারি না) নাকি সত্যিই প্রকৃতিতে কারণহীন ঘটনা ঘটে, এই প্রশ্নে পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যেই ঐকমত্য নেই। তা ছাড়া, আকুইনাসের যুক্তি মূলত সাধারণ অভিজ্ঞতার বস্তু নিয়ে, কোয়ান্টাম স্তরের সম্ভাব্যতাও শেষ পর্যন্ত কোনো অন্তর্নিহিত নিয়ম বা কাঠামোর মধ্যেই ঘটে বলে তারা মনে করিয়ে দেন। উপরন্তু, ‘শূন্যস্থানে’ ভার্চুয়াল কণা আবির্ভূত হওয়া মিশে যাওয়া এবং একটি কো-অর্ডিনেটেড সিস্টেমের অস্থিত্বে আসার মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ।

চতুর্থ আপত্তিটা আগের পর্বে যেমন বলেছিলাম, সেই "অনন্যতার সমস্যা"রই একটা সংস্করণ – এমনকি যদি মেনেও নিই একটা প্রথম কারণ থাকতে হবে, যুক্তিটা কোথাও প্রমাণ করে না এই কারণ একটাই, বা এটার বুদ্ধি-ইচ্ছা-ব্যক্তিত্ব আছে। আকুইনাস নিজে বলতেন, পাঁচটি পথ শুধু শুরুর ধাপ – সুম্মা থিওলজিকার পরের অংশে তিনি আলাদাভাবে দেখান কেন এই প্রথম কারণ একটাই হতে হবে এবং কেন তার মধ্যে বুদ্ধিমত্তার মতো গুণ থাকতে হবে। সমালোচকরা মনে করেন এই পরের ধাপগুলো প্রথম পাঁচটা পথের মতো সোজাসাপ্টা না, আরও অনেক অতিরিক্ত অনুমানের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

শেষ কথা

আকুইনাসের এই দ্বিতীয় পথ আমাদের এমন একটা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় যা এড়ানো কঠিন – আমাদের চারপাশের প্রতিটা জিনিসই যখন তার অস্তিত্ব বা কার্যক্ষমতা অন্য কারো কাছ থেকে "ধার" করে নিচ্ছে বলে মনে হয়, তখন কোথাও কি এমন কিছু থাকা দরকার যে নিজেই নিজের অস্তিত্বের উৎস, যার কাছে আর কারো কাছে ধার চাইতে হয় না? নাকি পুরো ব্যাপারটাকেই আমরা একটা মৌলিক সত্য হিসেবে মেনে নিতে পারি, যার পেছনে আর কোনো "কেন" খোঁজার দরকার নেই? এই বিতর্ক আটশো বছর পরেও দর্শনের সামনের সারিতে জীবন্ত – পদার্থবিজ্ঞান, যুক্তিবিজ্ঞান আর ধর্মতত্ত্ব – তিন জায়গা থেকেই এখনও এটা নিয়ে আলোচনা চলছে।

দর্শন #স্রষ্টার অস্তিত্বের যুক্তি
আরও পড়ুন

একই বিষয়ে আরও লেখা

অচল চালক ও প্রথম কারণ: অ্যারিস্টটলের যুক্তি
বিশ্বাস ও দর্শন · ২০ অক্টোবর ২০২৬

অচল চালক ও প্রথম কারণ: অ্যারিস্টটলের যুক্তি

আপনার হাতে একটা লাঠি আছে, আর সেই লাঠি দিয়ে আপনি একটা পাথর ঠেলে নিয়ে যাচ্ছেন। পাথরটা নড়ছে কেন? কারণ লাঠিটা তাকে ধাক্কা দিচ্ছে। লাঠিটা নড়ছে কেন? কারণ আপনার হাত তাকে…

রেশনালিস্ট প্রমাণ (এডওয়ার্ড ফেজার)
বিশ্বাস ও দর্শন · ১৬ অক্টোবর ২০২৬

রেশনালিস্ট প্রমাণ (এডওয়ার্ড ফেজার)

ধরুন, আপনি রাতে একা বাসায় ফিরলেন, এবং রান্নাঘরে ঢুকে দেখলেন চুলার উপর একটা কেটলিতে পানি টগবগ করে ফুটছে। আপনার মাথায় কী আসবে? "কেটলিটা এমনি এমনি ফুটছে, এর পেছনে কোনো…

থমিস্টিক প্রমাণ (এডওয়ার্ড ফেজার)
বিশ্বাস ও দর্শন · ১৩ অক্টোবর ২০২৬

থমিস্টিক প্রমাণ (এডওয়ার্ড ফেজার)

আপনি কি কখনো কোনো জিনিসের পুরো নকশা মাথায় এঁকে ফেলেছেন, যে জিনিসটা বাস্তবে নেই?